
পৃথিবীর প্রায় সবদেশে যে কোন প্রকার দুর্ঘটনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ,যুদ্ধ বিগ্রহে অথবা অস্বাভাবিক কারণে দেশের নাগরিকদের মৃত্যু বা উদ্ভুত ঘটনায় কেউ আহত হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সঠিক এবং সুনির্দিষ্ট একটি সংখ্যার হিসাব বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় বা মিডিয়ায় প্রকাশিত হতে দেখা যায়।
বিচিত্র নিয়ম বাংলাদেশে, এখানে সংবাদ কর্মী এবং সরকারের পক্ষ থেকে দুটি হিসাব প্রকাশিত হয়।
একটি ‘সরকারি হিসাব’ অন্যটি ‘বেসরকারি হিসাব’ নামে পরিচিত। এই সরকারি এবং বেসরকারি হিসাবে সংখ্যার মধ্যে প্রায়শই আকাশ পাতাল পার্থক্য দেখা যায়।
সরকার প্রদত্ত হিসাব যে সংবাদ পত্র অথবা মিডিয়ায় প্রকাশিত হয় বেসরকারি হিসাবও একেই সময়ে একই সংবাদ পত্র বা মিডিয়ায় প্রচারিত বা প্রকাশিত হয়।
সরকারি হিসাবে অনেক সময় হতাহতের নাম ঠিকানা উল্লেখ না থাকলেও বেসরকারি হিসাবে দেখা যায় ঘটনায় হতাহতের নাম ঠিকানা ক্ষেত্র বিশেষ ছবি প্রকাশিত হয়।
দুই ধরনের সংবাদ প্রকাশের কারণে জন সাধারণ সবসময় বিভ্রান্ত হয়। সরকারের দেওয়া হিসাব যেমন অস্বীকার করা যায় না। আবার সংবাদ পত্র বা মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদকেও অস্বীকার করা যায় না।
সংবাদ মাধ্যমের প্রয়োজনীয়তা এবং এর গ্রহণ যোগ্যতা বিবেচনা করে দুর্যোগ বা যুদ্ধকালীন অবস্থায় সব কিছু বন্ধ থাকলেও অবাধ সংবাদ প্রবাহ চালু রাখার স্বার্থে জরুরি অবস্থায় সংবাদ মাধ্যম গুলো সচল রাখে সরকার।
যেই সংবাদ মাধ্যমের এত গুরুত্ব সেখানে সংখ্যার হিসাবে তারতম্য হবে কেন ?
একটি পত্রিকায় সারাদেশের চব্বিশ ঘণ্টার হিসাব।
