দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণের নামে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিপুল পরিমাণ অর্থদণ্ডের ঘটনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের অর্থদণ্ড বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোন মতেই যুক্তিযুক্ত বলে মনে হচ্ছে না।
সাধারণত বাংলাদেশে ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালিত হয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। মুনাফালোভী সুযোগ সন্ধানী ব্যবসায়ীরা যে কোন উচিলায় নিজেদের ইচ্ছেমত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করে বাজার অস্থিতিশীল করে তুলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত ব্যবসায়ীদের অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করলে ব্যবসায়ীরা জরিমানার অর্থ পরবর্তীতে ভোক্তাদের কাছ থেকে সুদে আসলে কড়ায়গণ্ডায় উসুল করে নিচ্ছে ।

তাই প্রশাসনের প্রতি সবিনয়ে অনুরোধ করছি সরাসরি অসাধু ব্যবসায়ীদের অর্থদণ্ডে দণ্ডিত না করে ২০১৫ সালে প্রণীত ভোক্তা অধিকার আইনের আওতায় অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধি, ভেজাল, দূষিত বা অনিরাপদ খাদ্য বিক্রি করার অভিযোগ প্রমানিত হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের জেল জরিমানার বিধানটি কার্যকর করার জন্য
বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি।