
‘লকডাউন’-এর আবিধানিক অর্থ ‘তালাবদ্ধ’ করে দেয়া।
সরল বাংলায় যার অর্থ ‘অবরুদ্ধ’ করে রাখা।
অর্থাৎ কোনো জরুরি পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষকে কোনো জায়গা থেকে বের হতে না দেয়া কিংবা ওই জায়গায় প্রবেশ করতে বাধা দেয়ার নাম হলো লকডাউন।
আর ‘ডাউন সিনড্রোম’ একটি বিশেষ ধরনের জেনেটিক বা জিনগত মানসিক বৈকল্য অবস্থা কে বুঝায়।
ডাউন সিনড্রোম” নিয়ে জন্ম নেয়া মানুষের ক্রোমোজোমের গঠন সাধারণ মানুষের ক্রোমোজমের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে।
সেরেব্রাল পালসি বা মস্তিষ্কে পক্ষাঘাতজনিত সমস্যা, ইন্টেলেকচুয়াল ডিজঅর্ডার বা বুদ্ধিগত সমস্যা এবং ‘ডাউন সিনড্রোম’কে একই ধারায় বিচার করা হয় বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশে ‘ডাউন সিনড্রোম’ আক্রান্ত ব্যক্তিদের অন্যান্য মানসিক প্রতিবন্ধী হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।
যদিও ‘ডাউন সিনড্রোমে’ আক্রন্তদের মস্তিষ্কে কোনো সমস্যা থাকে না। কিন্তু বাংলাদেশে প্রথাগত ধারা অনুযায়ী সব ধরণের মানসিক সমস্যায় ভুগতে থাকা মানুষকে একই কাতারে যাচাই করা হয়।
বিশ্ব এখন যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আছে। মানুষের জীবন মৃত্যু নিয়ে মরণঘাতি করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে সর্বত্র।
জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার জন্য সবদেশের সব সরকার তার জনসাধারণের প্রতি বিশেষ নির্দেশ জারি করেছেন। আমাদের দেশের সরকারও এই বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন।
জরুরি বিশেষ প্রয়োজন যা বাসায় বসে করা যায় না এবং যা থামিয়ে রাখাও যায় না, জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বাজার সদাই করা এবং জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে ঔষধপত্র কেনা ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
এমত অবস্থায় ‘ডাউন সিনড্রোম’এ আক্রান্ত কিছু সংখ্যক মানুষ ‘লকডাউন’কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জীবিকার তাগিদে জীবনকে তুচ্ছ করে অধীনস্থ শ্রমিকদের রাজপথে নামতে বাধ্য করেছে।
এ কে এম বেলায়েত হোসেন কাজল ।
