উৎসবে ব্যস্ত জাতিকে শোক করার প্রস্তুতির জন্য সময় দিতে হবে।
কেনো মানুষ ঘরে থাকছে না, কেনো মানুষ পরিস্থিতি বুঝতে পারছে না এই সব অনুযোগ তুলবেন না। দেশের মানুষের প্রতি অভিযোগের তীর ছুঁড়ে দেবেন না। মানুষ কেনো ঘরে থাকবে, কেনো তাদের ঘরে থাকা দরকার, পরিস্থিতিটা কি এইসব বিষয় তারা এমনিতেই বুঝে যাবে- এতোটা আশা করেন কেন?
একদিন আগেও তো আপনারা উৎসবে মেতে ছিলেন, আতশবাজির আলোর ছটায় উল্লাস করেছেন। একদিনেই যে পরিস্থিতি এতোটা বদলে গেছে- সেটা তারা ভাববে কিভাবে?
পশ্চিমা দেশগুলোতেও কিন্তু সরকার প্রধান জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে মানুষকে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন বুঝিয়েছে কি কারণে ঘরে থাকা দরকার। মিডিয়াগুলো সচেতন করেছে। আপনারা তার কতোটা করেছেন? এই যে সবাইকে ঘরে থাকতে বলছেন- রাষ্ট্রের উর্ধ্বতন কেউ পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে আহ্বান জানালে ব্যাপারটা হয়তো আরো সহজ হতো।
আপনারা সবকিছুই অফিস আদেশে সেরে ফেলতে চান, আপনারা সবকিছিু অধীনস্থদের দিয়ে সেরে ফেলতে চান। তা হলে কীভাবে হবে?
সামনে যে বিপদ আছে সেটা যেমন তাদের বলা দরকার, তাদের যে ভরসার জায়গা আছে, আশ্রয় আছে সেটাও জানানো দরকার। রাষ্ট্র সেই ভরসা দিতে পারে, সরকার প্রধান সেই ভরসা দিতে পারে।
খালি খালি মানুষকে গালাগালি করে, দোষারুপ করে কি লাভ! উৎসবে ব্যস্ত একটা জাতিকে শোক করার প্রস্তুতির জন্য খানিকটা সময়ও দিতে হবে।
ফেইসবুক থেকে সংগৃহীত।
