পৃথিবীতে যখনই প্রেমের জন্য ত্যাগ- তিতিক্ষার কথা বলা হয়,
নিঃসন্দেহে রোমিও এবং জুলিয়েটের প্রেমের আখ্যান দুনিয়ার অন্যতম বিখ্যাত প্রেম কাহিনী।
বিশ্ব বিখ্যাত ইংরেজ লেখক উইলিয়াম শেক্সপিয়র এর কালজয়ী ট্রাজেডি হলো রোমিও-জুলিয়েট। সারা বিশ্বে যুগ যুগ ধরে পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে এ বিয়োগান্ত প্রেম কাহিনী।

অন্যদিকে লাইলি আর মজনুর প্রেম কাহিনীর কথা শোনেননি এমন লোক এই ভারত উপমহাদেশে খুঁজে পাওয়া মুশকিল।
শেক্সপিয়ারের রোমিও-জুলিয়েট বিশ্বে যতটা বিখ্যাত, উপমহাদেশে লাইলি-মজনু কিন্তু আসলে ততটাই নামকরা, হয়ত আরো বেশি।
কিন্তু রোমিও-জুলিয়েট যত বেশি পঠিত বা চিত্রিত হয়েছে আর মানুষের মনে গেঁথে গেছে কাহিনীটুকু, লাইলি-মজনুর ক্ষেত্রে আসলে ততটা হয়নি।

যুগে যুগে আরো অনেক প্রেম কাহিনীই অমর হয়ে আছে, যেমন সেলিম- আনারকলি, অ্যান্থনি-ক্লিওপেট্রা।
আছে শিরি-ফরহাদ, ইউসুফ-জুলেখা, প্যারিস-হেলেন,শাহজাহান-মমতাজ, ট্রয়লাস-ক্রেসিডাই সহ অসংখ্য কালজয়ী প্রেম কাহিনী।
ইতিহাসের ফাঁকে ফাঁকে ইংরেজি
উপন্যাস বা আরব্য উপন্যাসের এ রসালো গল্পগুলো আজীবন মানুষকে আনন্দ দিয়ে এসেছে এবং দিয়ে যাবে চিরকাল।

একবিংশ শতাব্দীতে যদি কোন লেখক বা গবেষক নতুন করে প্রেমের কোন কালজয়ী ট্রাজেডির উপন্যাস লেখার চেষ্টা করেন। তাহলে এই প্রেমিক যুগলের প্রেম কাহিনী নিয়ে লেখার চেষ্টা করতে পারেন নিশ্চয়ই।

এ কে এম বেলায়েত হোসেন কাজল ।