আধুনিক সভ্য কোন দেশের মন্ত্রী দূরের কথা;
একজন নূন্যতম ভদ্রতাজ্ঞান সম্পন্ন কোন সাধারণ নাগরিক এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করলে, সাথে সাথে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিজের অভদ্রচিত আচরণের জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতেন।
গুগল উইকিপিডিয়া ঘুরে দেখা যায় ;
প্রবাসীদের সম্পর্কে শিষ্টাচার বহির্ভূত মন্তব্যকারী এই
ভদ্র (❓) লোক ১৯৪৭ সালের ২৩শে আগস্ট বাংলাদেশের সিলেট জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
তার পিতা আবু আহমদ আব্দুল হাফিজ ছিলেন সিলেট জেলা মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৭৩ সাল থেকে ২০১৮ সালের ভোটার বিহীন নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ পর্যন্ত জনগণের অর্থে পরিচালিত সরকারের বেতনভূক্ত কর্মচারী বা বিদেশে বিভিন্ন সরকারের কর্মচারী হিসেবে দীর্ঘ কর্মময় জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি বিদেশে (প্রবাসে) কাটিয়েছন। মাঝে অবশ্য ১৯৮২ সালে সামরিক আইনের ৯ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে চাকরি করেন।
নানান ইস্যুতে নানা সময়ে ‘রাবিশ-বোগাস’ শব্দের ব্যবহারকারী বিদায়ী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ভাই আবদুল মোমেন টানা তৃতীয় মেয়াদে শেখ হাসিনার নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ধারক হিসেবে তিনি বঙ্গবন্ধুর হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খুনি খন্দকার মোশতাক আহমদ থেকে অধিকারী হয়েছেন বলে উল্লেখ রয়েছে ।
যাদের শরীরে মুসলিম লীগের রক্ত প্রবাহিত আর ধারক খন্দকার মোশতাক আহমদের পেত আত্মার কাছ থেকে প্রবাসীদের ভালো কিছু আশা করা যায় কি ❓

